শ্রীদেবীর বিকল্প ভানুপ্রিয়া?
ভানুপ্রিয়া ও শ্রীদেবী। ছবি: সংগৃহীত
আকাশচুম্বী পারিশ্রমিক দাবির কারণে বলিউডের এক সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী শ্রীদেবীকে বাদ দিয়ে, তাঁরই মতো দেখতে দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী ভানুপ্রিয়াকে কাস্ট করতে বাধ্য হয়েছিলেন পরিচালক টি রামা রাও। ১৯৮৬ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘দোস্তি দুশমনি’-র শুটিংয়ের সময় এই ঘটনাটি ঘটেছিল।
আকাশচুম্বী পারিশ্রমিক ও বিকল্প ভাবনা
৮০-র দশকে শ্রীদেবী ছিলেন বলি পাড়ার অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকা। ‘দোস্তি দুশমনি’ ছবির প্রধান চরিত্রের জন্য পরিচালক টি রামা রাও প্রথম শ্রীদেবীকেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে শ্রীদেবী যে পারিশ্রমিক দাবি করেন, তা ছবির মূল বাজেটকে ছাপিয়ে যায়। পরিচালক তাঁকে পারিশ্রমিক কিছুটা কমানোর অনুরোধ করলেও শ্রীদেবী তাতে রাজি হননি। বাধ্য হয়ে পরিচালক এমন একজনকে খুঁজতে শুরু করেন, যাঁকে দেখতে শ্রীদেবীর মতো।
ভানুপ্রিয়ার আত্মপ্রকাশ ও সাফল্য
শ্রীদেবীর বিকল্প হিসেবে পরিচালক বেছে নেন ভানুপ্রিয়াকে, যিনি তখন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। ভানুপ্রিয়ার রূপ ও চেহারার সঙ্গে শ্রীদেবীর আশ্চর্যজনক সাদৃশ্য দেখে সবাই চমকে যান।
ছবি: দোস্তি দুশমনি (১৯৮৬)
পরিচালক: টি রামা রাও
সহ-শিল্পী: জিতেন্দ্র, রজনীকান্ত, ঋষি কাপুর, কিমি কাটকর ও পুনম ধিলন। ফলাফল: বক্স অফিসে দারুণ প্রভাব ফেলতে না পারলেও ভানুপ্রিয়ার রূপ ও অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
‘দোস্তি দুশমনি’ মুক্তির পর শ্রীদেবীর প্রতিরূপ হিসেবে ভানুপ্রিয়া রাতারাতি বলিউডে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে ‘ইনসাফ কি পুকার’, ‘খুদগার্জ’, ‘মার মিটেঙ্গে’, ‘তামানচা’ এবং ‘কসম ভার্দি কি’-র মতো বেশ কিছু সফল হিন্দি ছবিতে অভিনয় করে দর্শকমনে স্থায়ী জায়গা করে নেন।