যে সাংবাদিক অন্যের অধিকার লেখেন, নিজের অধিকার চাইতে ভয় পান কেন?

আহমেদ শাহেদ
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
Main News Image

একজন সাংবাদিক প্রতিদিন মানুষের অধিকার নিয়ে লিখবেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলবেন, রাষ্ট্রের কাছে জবাব চাইবেন, ক্ষমতাবানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। কিন্তু মাসের পর মাস বেতন না পেলে তিনি কার কাছে জবাব চাইবেন? চাকরি অন্যায়ভাবে চলে গেলে তিনি কার দরজায় দাঁড়াবেন? মালিকপক্ষ তাঁর শ্রমের মূল্য আটকে রাখলে তিনি কোন সংগঠনের পতাকা হাতে রাস্তায় নামবেন?

আর সবচেয়ে বিব্রতকর প্রশ্নটি হলো, যে সাংবাদিক সারা জীবন অন্যের অধিকারের খবর লিখলেন, নিজের অধিকারের খবরটি লিখতে গিয়ে তাঁর কলম থেমে যায় কেন?

দেশে সাংবাদিক সংগঠনের অভাব নেই। বরং এত বেশি যে সঠিকভাবে খুঁজলে শতাধিক সংগঠনের নাম পাওয়া যাবে। জাতীয় পর্যায় থেকে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, অঞ্চল, পেশা, মত, পরিচয়, গণমাধ্যমের ধরন, এমনকি ব্যক্তিকেন্দ্রিক নানা বলয়কে ঘিরেও সংগঠন আছে। কোথাও সভাপতি, কোথাও মহাসচিব, কোথাও আহ্বায়ক, কোথাও সদস্যসচিব। কমিটি আছে, ব্যানার আছে, সভা আছে, সম্মেলন আছে, সংবর্ধনা আছে, ফটোসেশন আছে।

শুধু সাংবাদিকের অধিকার নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দৃশ্যটাই যেন নেই।

এ যেন অদ্ভুত এক পেশা। এখানে অন্যের বেতন না দিলে খবর হয়, কিন্তু সাংবাদিকের বেতন না দিলে সেটা ‘অফিসের অভ্যন্তরীণ বিষয়’। অন্য কোনো পেশাজীবী চাকরি হারালে মানবিক গল্প হয়, কিন্তু সাংবাদিক চাকরি হারালে অনেক সহকর্মী প্রথমে জানতে চান, ‘কী করেছে?’ কোনো শ্রমিক তাঁর ন্যায্য পাওনা চাইলে সেটি অধিকার আন্দোলন; একজন সাংবাদিক তাঁর বেতন চাইলে তিনি হয়ে যান ‘ঝামেলাপ্রিয়’।

এই সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে এক দিনে নয়।

বছরের পর বছর ধরে সাংবাদিকতার ভেতরে এমন একটি মানসিকতা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিককে বোঝানো হয়েছে, এই পেশায় টিকে থাকতে হলে অনেক কিছু সহ্য করতে হয়। বেতন দেরি হবে, মেনে নিন। চাকরির নিশ্চয়তা নেই, মেনে নিন। অতিরিক্ত কাজ করতে হবে, মেনে নিন। ছুটি নেই, মেনে নিন। অন্যায় নির্দেশ আসবে, সেটাও মেনে নিন। প্রতিবাদ করলে চাকরি থাকবে না, সুতরাং চুপ থাকুন।

অর্থাৎ সাংবাদিকতার প্রথম শিক্ষা যেন হয়ে গেছে, সত্যের জন্য লড়বেন, তবে নিজের ক্ষেত্রে নয়।

এখানেই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিহাস।

একজন সত্যিকারের সাংবাদিক আসলে খুব সুবিধাজনক মানুষ নন। তাঁকে দিয়ে সবকিছু করানো যায় না। তাঁকে ফরমায়েশি সংবাদ লিখতে বলা কঠিন। কোনো ক্ষমতাবানকে খুশি করার জন্য সত্যকে সাজিয়ে দিতে বলা কঠিন। কোনো মালিকের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থকে জনস্বার্থের মোড়কে পরিবেশন করতে বলা কঠিন। কারণ তাঁর কাছে সাংবাদিকতা কেবল চাকরি নয়, একটি নৈতিক অবস্থান।

আর এই মানুষটির সমস্যাও সেখানেই।

মালিকপক্ষ এমন সাংবাদিকই চায়, যে দক্ষ কিন্তু প্রশ্নহীন; দ্রুত কিন্তু বিবেকহীন; পরিশ্রমী কিন্তু প্রতিবাদহীন। যে রাত জেগে সংবাদ করবে, কিন্তু নিজের বেতন নিয়ে প্রশ্ন করবে না। যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে, কিন্তু অফিসের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে জানতে চাইবে না। যে মন্ত্রীর কাছে জবাব চাইবে, কিন্তু নিজের মালিকের কাছে বেতন চাইতে গিয়ে কণ্ঠস্বর নিচু করবে।

কী চমৎকার ব্যবস্থা!

সাংবাদিককে বলা হবে, ‘আপনি তো পেশার মানুষ, টাকা-পয়সা নিয়ে এত ভাবলে চলবে?’

অথচ সেই সাংবাদিকের বাড়িভাড়া আছে, সন্তানের পড়াশোনার খরচ আছে, বাজারের হিসাব আছে, চিকিৎসার খরচ আছে। বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, যাতায়াত খরচ, পরিবারের দায়িত্ব আছে। সাংবাদিকতা তাঁর কাছে আদর্শ হতে পারে, কিন্তু তাঁর সংসার তো আদর্শ দিয়ে চলে না।

তখন মালিকপক্ষের বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ সামনে আসে: ‘ম্যানেজ।’

বেতন ঠিকমতো দিতে পারছি না? ম্যানেজ করুন।

খরচ চলছে না? ম্যানেজ করুন।

অতিরিক্ত কাজ করতে হবে? ম্যানেজ করুন।

অন্যায় নির্দেশ এসেছে? ম্যানেজ করুন।

চাকরি থাকবে কি না জানি না? সেটাও ম্যানেজ করুন।

কিন্তু মালিকপক্ষের বিলাসিতা ম্যানেজ করতে হয় না। ব্যবসার খরচ ম্যানেজ করতে হয় না। নতুন গাড়ি ম্যানেজ করতে হয় না। বিদেশ সফর ম্যানেজ করতে হয় না। মালিকের জীবনযাপন ম্যানেজ করতে হয় না। শুধু সাংবাদিকের জীবনটাই যেন ম্যানেজ করার বিষয়।

এখানেই সংবাদমাধ্যমের অর্থনৈতিক কাঠামোর একটি নির্মম সত্য সামনে আসে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা শুধু সম্পাদকীয় নীতির ওপর নির্ভর করে না, সাংবাদিকের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপরও নির্ভর করে। যে সাংবাদিক জানেন, আগামী মাসের বেতনও অনিশ্চিত, তিনি কতটা স্বাধীনভাবে ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করবেন? যে সাংবাদিক জানেন, একটি প্রতিবেদন মালিকের স্বার্থে আঘাত করলে চাকরি যেতে পারে, তিনি কতটা নির্ভয়ে সেই প্রতিবেদন করবেন?

তাই সাংবাদিকের বেতন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত আয় নয়। এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতারও একটি অংশ।

কিন্তু আমরা এই কথাটি খুব কমই বলি।

আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা চাই, কিন্তু সংবাদকর্মীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথা বলি না। আমরা সম্পাদকীয় স্বাধীনতার কথা বলি, কিন্তু ডেস্কের সাংবাদিকের চাকরির নিরাপত্তার কথা বলি না। আমরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রশংসা করি, কিন্তু সেই অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাসের শেষে বেতন পেলেন কি না, সেটি জানতে চাই না।

এমনকি সাংবাদিক সংগঠনগুলোর অনেক ক্ষেত্রেও একই চিত্র।

কত সংগঠনের নির্বাচন হলো, তার হিসাব আছে। কতজন নেতা হলেন, তার হিসাব আছে। কতটি সম্মেলন হলো, তার হিসাব আছে। কতজনকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হলো, তার ছবি আছে। কিন্তু গত এক বছরে কতজন সাংবাদিকের বেতন আদায়ে সংগঠনটি ভূমিকা রেখেছে, কতজন চাকরিচ্যুত সাংবাদিককে আইনি সহায়তা দিয়েছে, কতজন সাংবাদিকের কর্মপরিবেশ নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছে, সেই হিসাব কোথায়?

সংগঠন যদি সংকটে পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে সেটি সংগঠন নাকি পরিচয়পত্র বিতরণ কেন্দ্র?

এই প্রশ্নটি কঠিন। কিন্তু প্রয়োজনীয়।

কারণ সাংবাদিক সমাজের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শুধু সংগঠনের নিষ্ক্রিয়তা নয়, নিজেদের মধ্যকার ভয়াবহ বিভাজনও।

একজন সাংবাদিক চাকরি হারালে অন্যজন ভাবেন, ‘আমার তো চাকরি আছে।’

একজন সহকর্মী বেতন চাইলে আরেকজন বলেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি করছে।’

একজন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তৃতীয়জন দূর থেকে দেখেন, কখন তাঁর জায়গায় নতুন কাউকে নেওয়া হয়।

অথচ তিনি বুঝতে পারেন না, আজ যে আগুন অন্যের ঘরে লেগেছে, কাল সেটি তাঁর ঘরেও পৌঁছাবে।

মালিকপক্ষও এই মনস্তত্ত্ব বোঝে। তারা জানে, সাংবাদিকদের সবচেয়ে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় বিচ্ছিন্ন করে। একজনকে আলাদা করুন, তাঁর চাকরি নিয়ে ভয় দেখান, অন্যরা চুপ থাকবে। আর অন্যরা চুপ থাকলে প্রথমজনও শেষ পর্যন্ত চুপ হয়ে যাবেন।

এভাবেই তৈরি হয় আত্মসমর্পণের সংস্কৃতি।

আর এই আত্মসমর্পণের সবচেয়ে ভয়ংকর ফল হলো, সাংবাদিকের কলম ধীরে ধীরে সংবাদ থেকে সরে গিয়ে মালিকের ন্যারেটিভের বাহনে পরিণত হয়।

যে কলম একসময় প্রশ্ন করত, সেটি অনুমতি খোঁজে।

যে সাংবাদিক একসময় তথ্য যাচাই করতেন, তিনি এখন নির্দেশের অপেক্ষা করেন।

যে সংবাদ একসময় জনস্বার্থে প্রকাশিত হতো, সেটি এখন কার স্বার্থে ক্ষতি বা লাভ হবে, সেই হিসাব করে লেখা হয়।

এমন সাংবাদিকতা তখন আর সাংবাদিকতা থাকে না। সেটি হয়ে যায় বেতনভুক্ত প্রচারব্যবস্থা।

অবশ্য এখানেই সাংবাদিকদের নিজেদেরও আয়নায় তাকাতে হবে।

সব দায় মালিকের নয়। সাংবাদিক সমাজের ভেতরেও নৈতিক পতন আছে। কেউ ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সংবাদকে ব্যবহার করেন, কেউ ক্ষমতাবানদের সঙ্গে সম্পর্ককে পেশাগত সম্পদে পরিণত করেন, কেউ সংবাদকে চাপ সৃষ্টির অস্ত্র বানান, কেউ আবার মালিকের অনৈতিক নির্দেশ পালন করতে করতে একসময় নিজের বিবেকের অস্তিত্বই ভুলে যান।

ফলে একজন সৎ সাংবাদিক যখন অধিকার নিয়ে কথা বলতে দাঁড়ান, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মতো একটি শক্তিশালী, নৈতিক এবং বিশ্বাসযোগ্য সামাজিক ভিত্তি থাকে না।

এখানে সাংবাদিকদের আরেকটি বিষয় বুঝতে হবে। অধিকার দাবি করা মানে মালিকের শত্রু হওয়া নয়। ন্যায্য বেতন দাবি করা মানে প্রতিষ্ঠানবিরোধী হওয়া নয়। চাকরির নিরাপত্তা চাওয়া মানে কাজ এড়িয়ে যাওয়া নয়। কর্মপরিবেশের প্রশ্ন তোলা মানে অবাধ্য হওয়া নয়।

বরং একজন সাংবাদিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই একটি প্রতিষ্ঠানের পেশাগত দায়িত্বশীলতার প্রমাণ।

একটি সংবাদমাধ্যম যদি তার সাংবাদিককে ন্যায্য বেতন দিতে না পারে, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান জনগণকে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের পাঠ কীভাবে পড়াবে?

যে সংবাদপত্র শ্রমিকের বকেয়া মজুরি নিয়ে সম্পাদকীয় লেখে, কিন্তু নিজের কর্মীদের বেতন আটকে রাখে, তার নৈতিক অবস্থান কোথায়?

যে টেলিভিশন চ্যানেল অন্য প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করে, কিন্তু নিজের কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা দিতে পারে না, তার সাংবাদিকতার নৈতিকতা কোথায়?

যে অনলাইন পোর্টাল রাষ্ট্রের জবাবদিহি দাবি করে, কিন্তু নিজের কর্মীর পাওনা নিয়ে জবাব দিতে চায় না, তার স্বাধীনতার সংজ্ঞা কী?

এসব প্রশ্নের উত্তর সংবাদমাধ্যমকেই দিতে হবে।

আর সাংবাদিকদেরও দিতে হবে।

কারণ সাংবাদিকতা কোনো দাসত্বের পেশা নয়। সাংবাদিক কোনো মালিকের ব্যক্তিগত কর্মচারী নন, যদিও তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মী। তাঁর শ্রমের মূল্য আছে, তাঁর পেশাগত মর্যাদা আছে, তাঁর মত প্রকাশের অধিকার আছে, তাঁর নিরাপদ কর্মপরিবেশের অধিকার আছে। একই সঙ্গে তাঁর দায়িত্বও আছে। সত্য প্রকাশের দায়িত্ব, তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব, নিরপেক্ষ থাকার দায়িত্ব, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দায়িত্ব।

অধিকার ও দায়িত্বের এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে না পারলে সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষিত তরুণেরা কেন এই পেশায় আসতে অনাগ্রহী হয়ে উঠছেন, সেই প্রশ্নও তাই নতুন করে ভাবতে হবে। একটি পেশায় মেধাবী মানুষ আসবে কেন, যদি সেখানে শ্রমের ন্যায্য মূল্য না থাকে? একজন তরুণ কেন সাংবাদিকতা বেছে নেবেন, যদি তিনি জানেন তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে তাঁর দক্ষতার চেয়ে বেশি কারও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ওপর?

মেধা যখন পেশা ছেড়ে চলে যায়, তখন শুধু একজন সাংবাদিক হারায় না। সংবাদমাধ্যমও তার ভবিষ্যৎ হারায়।

তাই এখন সময় এসেছে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর আয়নায় নিজেদের মুখ দেখার। সময় এসেছে সাংবাদিকদেরও নিজেদের ভয়কে প্রশ্ন করার। আর সময় এসেছে মালিকপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার যে সংবাদমাধ্যম কোনো ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য নয়, যেখানে সাংবাদিকের শ্রম থাকবে কিন্তু অধিকার থাকবে না।

শত সংগঠনের দেশে একজন সাংবাদিক যেন নিজের অধিকারের জন্য একা না থাকেন, এটুকুই হওয়া উচিত সাংবাদিক সমাজের প্রথম দাবি।

কারণ একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর কলম। কিন্তু সেই কলম তখনই স্বাধীন, যখন তার হাতে কলমের পাশাপাশি নিজের মর্যাদা রক্ষার সাহসও থাকে।

আর শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি খুব সহজ, কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই:

যে সাংবাদিক প্রতিদিন রাষ্ট্রকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার জবাবদিহি কোথায়?’ সেই সাংবাদিক যখন নিজের বেতন, চাকরি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে চুপ করে যান, তখন তাঁর নীরবতার জবাবদিহি কে নেবে?

আর যদি সাংবাদিকের নিজের অধিকার রক্ষার জন্যও সাংবাদিককেই একা লড়তে হয়, তাহলে শত শত সাংবাদিক সংগঠন আসলে কাদের জন্য?

লেখক: সিনিয়ির সাংবাদিক ও কলামিস্ট।