প্রশ্নফাঁস আন্দোলন:দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, মেট্রো বন্ধে সুপ্রিমকোর্টের হুঁশিয়ারি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ এএম
Main News Image

রো পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতার দাবিতে উত্তাল রাজধানী দিল্লি। 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র (CJP) আহ্বানে আয়োজিত 'চলো সংসদ' কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠেছে। আন্দোলনের জেরে নিরাপত্তার স্বার্থে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC)। তবে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে DMRC-কে কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও 'চলো সংসদ' : NEET কাণ্ডে জড়িত দোষীদের কঠোর শাস্তি ও স্বচ্ছতার দাবিতে গত ২০ জুলাই থেকে 'চলো সংসদ' কর্মসূচির ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে।

সোনম ওয়াংচুকের অনশন: প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে টানা ২৫ দিন ধরে অনশন চালাচ্ছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।

গত সোমবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘাত বাধে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ অতিসক্রিয়তা দেখাচ্ছে। এর প্রতিবাদে তারা আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

জনস্বার্থে ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ : অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় DMRC।

লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বড়াখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, খান মার্কেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, জোড় বাগ ও শিবাজী স্টেডিয়াম।

প্রধান বিচারপতির কড়া হুঁশিয়ারি : মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় আদালতের দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে বলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিকাশ সিং। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় আইনজীবী, আদালতের কর্মী এবং বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন এবং যথাসময়ে আদালতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। বিষয়টি শোনার পরেই DMRC-কে কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি স্পষ্ট জানান, দুপুরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন পুনরায় না খোলা হলে শীর্ষ আদালত নিজেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও হস্তক্ষেপ করবে।