হাসপাতালে আহমেদকে দেখতে কেন যাননি শহিদ কাপুর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ এএম
Main News Image

শহিদ কাপুর ও নৃত্যশিল্পী আহমেদ খান

‘প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব’ এমারসন। হুম বন্ধুত্ব হওয়া উচিত এমনই, যেন তা আজীবন থাকে। সিনেমার বন্ধুতেও হার মানিয়েছেন নায়ক শহিদ কাপুর ও নৃত্যশিল্পী আহমেদ খানের। সেই গল্প উঠে এসেছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। একইসঙ্গে গল্পের অন্য পিঠে আছে তাদের দূরত্বের কাহিনীও।

জানা গেছে, একটা সময় খুবই গভীর বন্ধুত্ব ছিল শহিদ কাপুর ও নৃত্যশিল্পী আহমেদ খানের। তারা একসঙ্গে বহু সিনেমায় কাজ করেছেন। তবে মাঝে বেশ সমস্যাও দানা বেধেছিল, কী কারণে এমন সম্পর্ক নষ্ট হয়েছিল, তাও বেশ গোপনীয়। জানা যায়নি সেই কারণ। কিন্তু ফাটল কতটা ধরেছিল, তার রেশ পৌঁছেনি হাসপাতালে, তাই অসুস্থ আহমেদ খানকে দেখতে যাননি শহিদ। 

সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পরে কিন্তু এই দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়নি। শৈশবেই বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল দু’জনের। শহিদের বয়স ৭ বছর আর আহমেদের বয়স তখন ১১ বছর। জমে ক্ষির হয় বন্ধুত্ব। তার পরে দীর্ঘ বছর একসঙ্গে কাজ ও পরবর্তীতে কঠিন মনোমালিন্য। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের বন্ধুত্ব আবার আলোচনায় এসেছে একটি সাক্ষাৎকার ঘিরে। যেখানে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন আহমেদ খান।

গভীর ও গাঢ় বন্ধুত্বের বন্ধনে তারা আবদ্ধ থাকলেও এখন আর আগের মতো দেখা হয় দুজনের। প্রায় তিন দশকেরও বেশি হয়ে গেল একে অপরকে দেখেন না। আহমেদ বলেন, ‘প্রতিদিন কত নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়, কাজের সূত্রে এটা চলছেই। ব্যস্ততার মাঝে কখনও খুব ভিড়ে আমরা আসল বন্ধুদের হারিয়ে ফেলি, তৈরি হয় দূরত্ব। তাই জীবনযাপনও বদলে যায়।’

জানা গেছে, শহিদ কাপুরের কেরিয়ারের শুরুতে বড় ভূমিকা রাখেন আহমেদ খান। ‘ইসক ভিশক’ সিনেমাতেও কোরিওগ্রাফার ছিলেন আহমেদ। এ ছাড়া ‘পাঠশালা’য় প্রযোজক হিসেবে শহিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আহমেদ।

আহমেদের সাক্ষাৎকারে অনেক তথ্য বেরিয়ে এলেও ঠিক কী কারণে তাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরেছিল, সে সম্পর্কে তেমন কিছু মেলেনি। তবে ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর হচ্ছেÑ আহমেদ একবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তখন শহিদ তাকে দেখতে হাসপাতাল পর্যন্ত যাননি। অবশ্য এ তথ্যের পাশাপাশি আহমেদ আরও অনেক কথা-ই স্বীকার করেছেন। হাসপাতালের সূত্র ধরে পরবর্তীতে শহিদ-মীরা যখন বিয়ের পিড়িতে বসেন, তখন যাননি আহমেদ খান।