বাবা-ছেলের টানাপোড়েন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
Main News Image

'ডাক্তার কাকু' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপটে এক বিশেষ আড্ডায় মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋদ্ধি সেন। সেখানে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা, বাবা-ছেলের টানাপোড়েন, ব্যক্তিগত জীবন এবং বদলে যাওয়া বাংলা সিনেমা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তাঁরা।
সহ-অভিনেতা হিসেবে প্রসেনজিৎ ও ঋদ্ধির অভিজ্ঞতা

বদলে যাওয়া অভিনয়শৈলী: ঋদ্ধির মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রসেনজিৎ নিজের অভিনয়ের ধরনকে নতুন করে গড়ে তুলেছেন। দর্শকের রুচি ও সিনেমার ব্যাকরণ বদলে গেলেও তিনি নিজেকে সবসময় প্রাসঙ্গিক রেখেছেন।

সহজ সেটের পরিবেশ: শুটিংয়ের ২৫-২৬ দিনে কোনো তারকাসুলভ আড়ম্বর দেখাননি প্রসেনজিৎ; এমনকি স্কুটারে চড়েও সেটে এসেছেন। এর ফলে সহ-অভিনেতাদের ভয় ও অস্বস্তি কেটে সহজ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

নতুনদের থেকে শেখা: নতুন প্রজন্মের অভিনয়শৈলী সম্পর্কে জানতে ঋদ্ধিদের কাজ নিয়মিত দেখেন প্রসেনজিৎ। কাজের সুবিধার্থে যৌথভাবে স্ক্রিপ্ট রিডিং ও বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্ক বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দেন তিনি।

'ডাক্তার কাকু' সিনেমা ও প্রসেনজিতের চরিত্র

বাংলা ছবিতে প্রথমবারের মতো চিকিৎসকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ।এটি কেবল একটি পেশাগত চরিত্র নয়, বরং এর মাধ্যমে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব আদর্শবোধ এবং বাবা-ছেলের সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে। ছবির মূল ভিত্তি হলো শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা।

ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার
কাজের ব্যস্ততা: চিকিৎসকদের মতো অভিনেতাদের জীবনও নির্দিষ্ট সময়ের নিয়মে চলে না। উদাহরণ হিসেবে, একটি ছবির শুটিংয়ের জন্য মাত্র তিন দিন আগে তাঁকে ট্রিপের টিকিট বাতিল করতে হয়েছিল।

পারিবারিক সমীকরণ: প্রসেনজিৎ স্বীকার করেছেন যে তিনি বাবা হিসেবে মোটামুটি হলেও স্বামী হিসেবে বেশ খারাপ। এ ক্ষেত্রে তিনি তাঁর স্ত্রী অর্পিতার অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং জানান যে ছেলে মিশুকও এখন তাঁর কাজের বাস্তবতা বুঝতে শিখেছে।