সংখ্যার দৌড় নয়, অভিনয়ের বৈচিত্র্যেই আনন্দ: শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ এএম
Main News Image

অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

একই ধরনের চরিত্রে নিজেকে আটকে না রেখে নতুন কিছু করার প্রয়াসেই অভিনয়ের প্রকৃত আনন্দ খুঁজে পান অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ড. কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘হাবুল’ চলচ্চিত্রে একেবারে ভিন্ন এক অবতারে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো একজন ভেন্ট্রিলোকুইস্টের (কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করে পুতুল বা অন্য কোনো বস্তুর মাধ্যমে শব্দ তৈরির বিশেষ পারফর্মিং আর্ট) চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

অভিনয়ের মান বনাম সংখ্যা

অভিনয় করার খাতিরে একের পর এক ছবিতে কাজ করতে রাজি নন শাশ্বত। তাঁর কাছে ছবির পরিমাণের চেয়ে গল্পের বিষয়বস্তু এবং চরিত্রের অভিনবত্বই মুখ্য। ছবি বানানোর বিষয়টিকে বিস্কুট উৎপাদনের সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান—“ছবি তৈরি তো আর বিস্কুট তৈরি নয় যে একসঙ্গে ১০০ প্যাকেট বানিয়ে ফেললাম।”

তাঁর মতে, কেবল সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ছবি না বানিয়ে একটি মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সময়, চিন্তাভাবনা ও নিখুঁত যত্নের প্রয়োজন।

বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে উদ্বেগ

নিজের অভিনয় বেছে নেওয়ার পাশাপাশি বাংলা সিনেমার বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শাশ্বত। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবি দেখার ব্যাপারে দর্শকদের আগ্রহ কমে যাওয়াকে তিনি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, ভালো ছবি নির্মাণের পাশাপাশি দর্শককে আবার প্রেক্ষাগৃহমুখী করাই এখন টালিগঞ্জের সবচেয়ে বড় কাজ।

সংখ্যার দৌড়ে শামিল না হয়ে নিজেকে প্রতি মুহূর্তে নতুন চরিত্রে ভাঙাই শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়দর্শনের মূল কথা। 'হাবুল' ছবির ভেন্ট্রিলোকুইস্ট চরিত্রটি তাঁর ঝুলিতে নতুন কী মাত্রা যোগ করে, সেদিকেই তাকিয়ে অনুরাগীরা।