মুখ ও গলার অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক উপায়
গরম বা আর্দ্র আবহাওয়ায় বাইরে বেরোলেই মুখ ও গলা দরদর করে ঘামার সমস্যায় পড়েন অনেকে, যা মেকআপ নষ্ট করার পাশাপাশি অস্বস্তির সৃষ্টি করে। বিশেষ করে যাঁদের 'হাইপারহাইড্রোসিস'-এর সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ঘাম তুলনামূলক বেশি হয়। এই অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ এবং ত্বককে সতেজ রাখতে কার্যকর চারটি ঘরোয়া প্যাক ও সিরামের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. চন্দন ও গোলাপজলের শীতল প্যাক
উপাদান: চন্দন গুঁড়ো এবং ঠান্ডা গোলাপজল।
ব্যবহার প্রণালী: চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে ঠান্ডা গোলাপ জল মিশিয়ে একটি ঘন প্যাক তৈরি করুন। মুখ ও গলায় লাগিয়ে পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, তারপর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
কার্যকারিতা: চন্দন ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সতেজ অনুভূতি বজায় রাখে।
২. টম্যাটো ও মধুর প্যাক
উপাদান: ১টি পাকা টম্যাটোর রস এবং ১ চামচ মধু। ব্যবহার প্রণালী: উপাদান দুটো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট মেখে রাখুন। এরপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কার্যকারিতা: ঘাম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ত্বকের কালচে দাগছোপ দূর করতে ও ত্বক সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
৩. অ্যালোভেরা ও গোলাপ জলের হাইড্রেটিং সিরাম
উপাদান: ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল, ২ চামচ গোলাপ জল এবং ১টি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল।
ব্যবহার প্রণালী: সব উপাদান একসঙ্গে খুব ভালো করে ফেটিয়ে ক্রিমের মতো টেক্সচার তৈরি করুন। রাতে ঘুমোনোর আগে পরিষ্কার মুখে কয়েক ফোঁটা সিরাম নিয়ে হালকা হাতে মালিশ করুন। কার্যকারিতা: নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক আর্দ্র ও উজ্জ্বল হয় এবং অতিরিক্ত ঘামের প্রবণতা হ্রাস পায়।
৪. গ্রিন টি ও শসার কুলিং সিরাম
উপাদান: ১ কাপ ঠান্ডা করা গ্রিন টি (ছেঁকে নেওয়া), অর্ধেকটা শসার রস এবং সামান্য গোলাপ জল।
ব্যবহার প্রণালী: উপাদানগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে একটি কাচের শিশিতে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এটি তৈরি করার পর সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
কার্যকারিতা: শসা ত্বক ঠান্ডা করে এবং গ্রিন টি অতিরিক্ত তেলের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে ব্রণের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।