ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা: সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন মেসি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
আপডেট: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫ এএম
Main News Image

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মেগা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর মাঠ ও মাঠের বাইরে সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিন্দুকদের তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ ও সমালোচকদের মুখ বন্ধ: মেসি স্পষ্ট জানান, এই দুর্দান্ত জয় সমালোচকদের 'বাজে বকার' সব সুযোগ কেড়ে নিয়েছে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল বিশ্বমঞ্চ থেকে বিদায় নিতে চলেছে তারা। ঠিক সেই খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলেন মেসি নিজেই। তাঁর জাদুকরী দুটি মাপা পাস থেকে মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ এবং লাউতারো মার্টিনেজ।

ম্যাচ শেষে অধিনায়কের সগর্ব মন্তব্য: ‘আমরা আর্জেন্টিনীয়রা এমনই; সবসময় আরও বেশি কিছু দাবি করি। আজ যদি আমরা ইংল্যান্ডের কাছে হারতাম, তবে অনেকেই আমাদের নিয়ে বাজে কথা বলার জন্য তৈরি হয়ে থাকত। আমরা তাদের সেই সুযোগটাই দিইনি। আমরা জানতাম, ফুটবলীয় দিক থেকে আমরা ওদের চেয়ে অনেক ভালো দল।’

ঐতিহাসিক দ্বৈরথ ও স্নায়ুর চাপ : খন স্পেনের চ্যালেঞ্জ :খন স্পেনের চ্যালেঞ্জ :টিনা ম্যাচ মানেই ফকল্যান্ড যুদ্ধ কিংবা মারাদোনার 'হ্যান্ড অফ গড'-এর মতো সংবেদনশীল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। মেসি স্বীকার করেছেন যে এই ম্যাচের সাথে অনেক বাড়তি মানসিক চাপ ও আবেগ জড়িয়ে ছিল। তবে মাঠে নেমে কেবল ফুটবলেই মনোযোগ দিয়েছিলেন তারা। তাঁর পরিপক্ব মন্তব্য, মাঠের বাইরে ইতিহাস যা কিছুরই প্রতিনিধিত্ব করুক না কেন, ম্যাচটি জেতা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল।

সামনে এখন স্পেনের চ্যালেঞ্জ : লিওনেল স্কালোনির দলের সামনে এখন নয়া ইতিহাস গড়ার সুবর্ণ সুযোগ। ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দেশ হিসেবে টানা দু'বার বিশ্বকাপ জেতার ট্র্যাকে রয়েছে তারা। আগামী রবিবারে নিউ জার্সির মেগা ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে তরুণ স্প্যানিশ দল। স্পেনের পাসের জালের বিরুদ্ধে স্কালোনির রণকৌশল শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখতে কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।