স্পেনের নতুন ম্যাসকট : লামিন ইয়ামালের খুদে ভাই
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের মাঝেই মাঠের সব আলো কেড়ে নিয়েছে তিন বছরের এক খুদে। সে আর কেউ নয়—স্প্যানিশ ফুটবলের নতুন বিস্ময় লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেন ইয়ামাল। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই স্পেনের সমর্থকদের কাছে সে ছিল এক 'পয়মন্ত ম্যাসকট'।
ক্যামেরার প্রিয়মুখ ও ভাইরাল পোজ: কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে জিভ ভেঙচানো থেকে শুরু করে গ্যালারিতে জায়ান্ট স্ক্রিনে নিজেকে দেখে 'ভামোস' বলে চিৎকার—কেন এর প্রতিটি অঙ্গভঙ্গিই ছিল নজরকাড়া। ফাইনাল শেষেও পাপারাজ্জিদের সামনে তার মিষ্টি পোজ ও অনাবিল উচ্ছ্বাস মুহূর্তেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
মাঠে ফুটবল ও নতুন প্রতিভার আভাস: বিশ্বজয়ের পর মাঠের সবুজ ঘাসে দাদার মতোই পায়ে ফুটবল নিয়ে মেতে ওঠে ছোট্ট কেন। তার এই শিশুসুলভ দৌড়ঝাঁপ ও ফুটবল নিয়ে কারিকুরি দেখে ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই ইয়ামাল পরিবার থেকে আরেকটি নতুন প্রতিভার আগমনী বার্তা পাচ্ছেন।
পুলিশ অফিসারের টুপি ও মজার কাণ্ড: মাঠের উদযাপনের মাঝেই এক পুলিশ অফিসারের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠে তিন বছরের এই খুদে সেলেব। অফিসারও খুশি হয়ে নিজের মাথার টুপিটি কেনের মাথায় পরিয়ে দেন, যা বিশ্বজয়ের রাতে স্প্যানিশ তারকাদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভাইয়ের প্রতি লামিনের গভীর আবেগ: ছোট ভাইয়ের এমন তারকা হয়ে ওঠায় ও সবার ভালোবাসা পাওয়ায় দারুণ খুশি স্প্যানিশ সুপারস্টার লামিন ইয়ামাল। ভাইয়ের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, "ছোট ভাই আমার কাছে সব। আমি ওকে প্রচণ্ড ভালবাসি। মনে হয় ও যেন আমার নিজের ছেলে।"
টানটান উত্তেজনার ফাইনাল ম্যাচ শেষে মাঠের গুমোট পরিবেশ এক নিমেষে হালকা করে দিয়েছিল কেন-এর গ্ল্যামারাস ও চঞ্চল উপস্থিতি। স্পেনের মূল ট্রফি উদযাপনে এই খুদের অনাবিল আনন্দই ছিল ফুটবল ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় বোনাস।