কিছু সুন্দর, কিছু আনন্দ ভাগ করে নেবো আমরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম
আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫ এএম
Main News Image

প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় সংখ্যার আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এরই মধ্যে ঢাকা হেরাল্ড পরিবারের বিস্তৃতিও চোখে পড়ার মতো, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আমরা ঢাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে পৌঁছানোর অদম্য স্পৃহা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছেন বেশকিছু জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুহৃদ। আমরা চাই প্রতিটি বিভাগীয় শহর, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিটি উপজেলায় আমাদের পদচারণায় বিকশিত হোক শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির সকল সম্ভাবনা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বাংলার প্রত্ননিদর্শন পাক সুরক্ষা। 

নানান স্বাদের লেখায় সমৃদ্ধ এ সংখ্যায় আমরা চেষ্টা করেছি পাঠকের বৈচিত্র্যময় চাহিদা পূরণে। ঈদুল আজহার আনন্দকে উপজীব্য করে গল্প ও রসনা বিলাসেও মনোযোগ ছিল আমাদের। ঢাকা হেরাল্ড মনে কওে এর পাঠকই মূল চালিকাশক্তি, সঙ্গে আছেন বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীরা। আপনাদের ভালোবাসা ও অকৃপণ সহযোগিতা আমাদের পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগাবে।

আমাদের রয়েছে হাজার বছরের শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতির বিশাল ক্যানভাস। এই ক্যানভাসের পুরোটা উন্মোচিত করতে চাই আমরা। ধীরে ধীরে সব বিষয়ের ওপর আলো ফেলতে চাই, তাকাতে চাই ভালোবাসার দৃষ্টিতে।

যাত্রাপথের শুরুতেই আমরা পেয়েছি আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা। ৪০০ বছরের পুরনো শহর ঢাকা বা বাংলাদেশ নয়, আমাদের সঙ্গে রয়েছেন সুদূর আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রেলিয়ার সুহৃদ-শুভাকাঙ্ক্ষীও। তাদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ আমাদের স্বপ্ন যাত্রাকে আরও বেগবান করেছে। গতানুগতিকতার বাইওে গিয়ে দ্বিভাষিক (বাংলা-ইংরেজি) একটি মাসিক পত্রিকা হিসেবে শেকড়সন্ধানী কিছু বিষয় আমরা উপস্থাপনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। 

আমরা দ্বিধাহীনভাবে বলতে চায় পাঠকই ঢাকা হেরাল্ডের বড় লেখক। তারা যেকোনো বিষয়ে যেকোনো সংখ্যা লিখতে পারেন। এ সংখ্যায়ও একাধিক পাঠকের লেখা ঠাঁই পেয়েছে। যাদের কোনো যোগাযোগ আমাদের ছিল না, এখন যোগাযোগ স্থাপিত হলো, যোগাযোগ থাকবে। বাংলার প্রত্ননির্দশন, স্থাপত্যশৈলী, পর্যটনকেন্দ্র, জীববৈচিত্র্য থেকে শুরু করে মসলিনের সূক্ষ্মতা কিংবা নকশিকাঁথার প্রতিটি ফোঁড়ই যেমন আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ধারক-বাহক। ঢাকা হেরাল্ডের প্রযত্নে সুদূর প্রবাসে বসবাসকারীদের অতীত-মন্থন কিংবা বর্তমান পর্যবেক্ষণকে সুন্দর-দৃষ্টিনন্দনভাবে উপস্থাপন করতেও আমরা বদ্ধপরিকর। প্রবাসীরাও লিখতে পারেন ভ্রমণ-পর্যটন কিংবা জীবন-সংগ্রামের জটিল-কুটিল চক্রব্যূহ নিয়ে।  

আমরা বিশ্বাস করি, কাঠামোবদ্ধ কোনো বিষয় নয়, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি আর ইতিহাস-ঐতিহ্যের যৌথযাত্রায় যা কিছু সুন্দর, তা-ই আরো সুন্দরভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট থাকবো আমরা। কিছু সুন্দর, কিছু আনন্দ ভাগ করে নেবো আমরা। ঢাকা হেরাল্ডের উদ্যোক্তা বিনিয়োগকারী; বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ীসহ সব সুহৃদকে জানাই আন্তরিক অভিবাদন।