শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প তৈলাক্ত?

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
Main News Image

কেবল চুল পরিষ্কার না করাই নয়; হরমোনের তারতম্য, স্ক্যাল্পের চর্মরোগ ও ভুল পরিচর্যার কারণেও মাথা তৈলাক্ত থেকে যেতে পারে। নিয়মিত শ্যাম্পু করার পরও অনেক সময় মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত থেকে যায়। সাধারণভাবে মনে করা হয় সঠিক নিয়মে বা নিয়মিত চুল পরিষ্কার না করার কারণেই এমনটি ঘটে। 

তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যাটি কেবল পরিচ্ছন্নতার অভাব নয়; বরং এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শারীরিক ও পরিবেশগত একাধিক কারণ।শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প তৈলাক্ত থাকার মূল কারণ-

১. অয়েল গ্ল্যান্ডের অতিরিক্ত সক্রিয়তা: স্ক্যাল্পে থাকা সেবেসাস (Sebaceous) বা অয়েল গ্ল্যান্ড থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সেবাম বা তেল উৎপাদিত হলে শ্যাম্পু করার পরপরই ত্বক আবার তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। 

২. হরমোনের পরিবর্তন: বয়ঃসন্ধি, গর্ভাবস্থা বা শারীরিক অন্য কোনো কারণে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে অয়েল গ্ল্যান্ডগুলো অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। 

৩. সেবোরিক ডার্মাটাইটিস (Seborrheic Dermatitis): এটি স্ক্যাল্পের একটি অন্যতম চর্মরোগ। এর ফলে ত্বকে অতিরিক্ত তেল জমার পাশাপাশি খুশকি, চুলকানি ও ত্বক লালচে হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। 

৪. অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো বা ব্রাশ করা: ঘন ঘন চুল ব্রাশ করলে স্ক্যাল্পের তেল পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি তৈলগ্রন্থিগুলোকে আরও বেশি তেল উৎপাদনে উদ্দীপিত করে।

৫ অতিরিক্ত ও ভুল হেয়ার প্রোডাক্টের ব্যবহার:. অতিরিক্ত সিরাম, জেল, স্প্রে বা ভারী কন্ডিশনার স্ক্যাল্পে ব্যবহার করলে তা ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে।পরিস্থিতি সামলাতে 

করণীয় সঠিক শ্যাম্পু নির্বাচন: স্ক্যাল্পের ধরন বুঝে ক্লারিফাইয়িং বা মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন এবং কন্ডিশনার কেবল চুলের গোড়া বাদে নিচের অংশে প্রয়োগ করুন।

সীমিত চুল আঁচড়ানো: প্রয়োজন ছাড়া ঘন ঘন চুল ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন।কেমিক্যাল এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত হেয়ার স্টাইলিং প্রোডাক্ট ও ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করুন।   

   কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত থাকার সমস্যাটি দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে এবং এর সাথে তীব্র চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত খুশকি বা চুল পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চর্মরোগ চিকিৎসকের (Dermatologist) পরামর্শ নিয়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ কেবল চুল পরিষ্কার না করাই নয়; হরমোনের তারতম্য, স্ক্যাল্পের চর্মরোগ ও ভুল পরিচর্যার কারণেও মাথা তৈলাক্ত থেকে যেতে পারে। নিয়মিত শ্যাম্পু করার পরও অনেক সময় মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত থেকে যায়। সাধারণভাবে মনে করা হয় সঠিক নিয়মে বা নিয়মিত চুল পরিষ্কার না করার কারণেই এমনটি ঘটে। 

তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যাটি কেবল পরিচ্ছন্নতার অভাব নয়; বরং এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শারীরিক ও পরিবেশগত একাধিক কারণ।শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প তৈলাক্ত থাকার মূল কারণ-

১. অয়েল গ্ল্যান্ডের অতিরিক্ত সক্রিয়তা: স্ক্যাল্পে থাকা সেবেসাস (Sebaceous) বা অয়েল গ্ল্যান্ড থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সেবাম বা তেল উৎপাদিত হলে শ্যাম্পু করার পরপরই ত্বক আবার তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। 

২. হরমোনের পরিবর্তন: বয়ঃসন্ধি, গর্ভাবস্থা বা শারীরিক অন্য কোনো কারণে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে অয়েল গ্ল্যান্ডগুলো অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। 

৩. সেবোরিক ডার্মাটাইটিস (Seborrheic Dermatitis): এটি স্ক্যাল্পের একটি অন্যতম চর্মরোগ। এর ফলে ত্বকে অতিরিক্ত তেল জমার পাশাপাশি খুশকি, চুলকানি ও ত্বক লালচে হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। 

৪. অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো বা ব্রাশ করা: ঘন ঘন চুল ব্রাশ করলে স্ক্যাল্পের তেল পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি তৈলগ্রন্থিগুলোকে আরও বেশি তেল উৎপাদনে উদ্দীপিত করে। ৫ অতিরিক্ত ও ভুল হেয়ার প্রোডাক্টের ব্যবহার:. অতিরিক্ত সিরাম, জেল, স্প্রে বা ভারী কন্ডিশনার স্ক্যাল্পে ব্যবহার করলে তা ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে।পরিস্থিতি সামলাতে 

করণীয় সঠিক শ্যাম্পু নির্বাচন: স্ক্যাল্পের ধরন বুঝে ক্লারিফাইয়িং বা মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন এবং কন্ডিশনার কেবল চুলের গোড়া বাদে নিচের অংশে প্রয়োগ করুন।

সীমিত চুল আঁচড়ানো: প্রয়োজন ছাড়া ঘন ঘন চুল ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন।কেমিক্যাল এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত হেয়ার স্টাইলিং প্রোডাক্ট ও ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করুন।   

করা জরুরি।