দামি প্রসাধনী নয়, মায়ের তৈরি তেলেই চুলের যত্ন মলাইকা-অমৃতার! কীভাবে বানাবেন?

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ এএম
Main News Image

মালাইকা অরোরা ও অমৃতা অরোরা।

দামি প্রসাধনী নয়, বরং বাড়িতে তৈরি ভেষজ তেলেই নাকি চুলের যত্ন নেন বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা ও তাঁর বোন অমৃতা অরোরা। তাঁদের চুলের পরিচর্যায় পরিবারের পুরনো ঘরোয়া পদ্ধতির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। নারকেল তেল, রেড়ির তেল, কালোজিরে, মেথি ও জবাফুলের মতো উপকরণ দিয়ে তৈরি এই তেল কী ভাবে বানানো যায়, রইল তার হদিস।

কী কী উপকরণ লাগবে?

ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই তেল তৈরি করতে প্রয়োজন কয়েকটি পরিচিত উপকরণ।

নারকেল তেল — ১ কাপ

রেড়ির তেল — আধ কাপ

কালোজিরের তেল — আধ কাপ

কালোজিরে — ১ চা-চামচ

মেথির দানা — ১ চা-চামচ

পেঁয়াজবাটা — ১টি গোটা পেঁয়াজের

তাজা জবাফুল — কয়েকটি

কীভাবে তৈরি করবেন এই তেল?

প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে নারকেল তেল, রেড়ির তেল ও কালোজিরের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এ বার তাতে কালোজিরে, মেথির দানা ও জবাফুলের পাপড়ি যোগ করুন।

সমস্ত উপকরণ অল্প আঁচে কিছুক্ষণ গরম করুন। তেল বেশি গরম করবেন না। তার পর আঁচ বন্ধ করে মিশ্রণটি সম্পূর্ণ ঠান্ডা হতে দিন। পরিষ্কার সুতির কাপড় বা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে তেল একটি শুকনো, পরিষ্কার পাত্রে রাখুন।

পেঁয়াজবাটাও এই তেলের একটি উপকরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এতে জলীয় অংশ থাকায় তেল সংরক্ষণের সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বাড়িতে তৈরি এই মিশ্রণ দীর্ঘ দিন রেখে ব্যবহার না করাই ভাল।

চুলের জন্য কতটা উপকারী?

নারকেল তেল চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং চুলের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করতে পারে। রেড়ির তেল ও অন্যান্য ভেষজ উপকরণও চুলের পরিচর্যায় বহুল ব্যবহৃত হয়। তবে এই নির্দিষ্ট মিশ্রণ চুল পড়া বন্ধ করে, খুশকি সারায় কিংবা অকালে চুল পাকা রোধ করে—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

চুলের গোড়ায় তেল মালিশ করলে শুষ্কতা কমতে পারে এবং চুল নরম অনুভূত হতে পারে। কিন্তু চুল পড়ার কারণ হরমোনের পরিবর্তন, পুষ্টির ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা হলে শুধু তেল ব্যবহার করে তার সমাধান সম্ভব নয়।

তাই ঘরোয়া তেল ব্যবহার করতে চাইলে আগে ত্বকের একটি ছোট অংশে পরীক্ষা করে নিন। মাথার ত্বকে চুলকানি, জ্বালা বা অ্যালার্জি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। অতিরিক্ত চুল পড়া বা অল্প বয়সে চুল পাকার সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভাল।