দুই লেখক পেলেন আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার

হেরাল্ড প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ এএম
Main News Image

 এ বছর আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন প্রখ্যাত কবি আবিদ আনোয়ার ও শিশু সাহিত্যিক গল্পকার নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ এর ডেইলি স্টার ভবনের এস মাহমুদ সেমিনার হলে শনিবার পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।  

'আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশন', কিশোরগঞ্জ এর উদ্যোগে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কবি ফরিদ কবির এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরস্কার প্রদান কমিটির আহ্বায়ক লেখক ও সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশনের সভাপতি নায়লা ইয়াসমিন বলেন, এই পুরস্কার মূলত কিশোরগঞ্জের কবি সাহিত্যিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই প্রবর্তন করা। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় এ পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগটি আরো এগিয়ে যাবে বলে আমি আশা করি।

প্রধান অতিথি কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, "যাদের জন্য এ সাহিত্য পুরস্কার তাদের প্রাপ্তির মাত্রা বাড়ানো উচিত। অনেক সাহিত্য পুরস্কার বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু অনেকেই এখন ভালো লিখছেন। তাদের স্বীকৃতির জন্যই পুরস্কারের মূল্যটা যেন সম্মানজনক ও যথাযথ হয়।" তিনি আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের পরিমান ৫০ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেন। 

কবি ফরিদ কবির বলেন, "মানুষের মধ্যে দুটি শ্রেনি আছে। একটি শ্রেণি দেয়, আরেকটি শ্রেণি নেয়। আবু খালেদ পাঠান তেমনই একজন মানুষ ছিলেন, যিনি হয়তো কেবল দিতেই এসেছিলেন। এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জবাসীর স্বতস্ফুর্ত ভিড় সেটাই প্রমাণ করে।" এই পুরস্কার প্রদান নতুন আরো লেখক কবিকে অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

সংবিধান বিশেষজ্ঞ এ লেখক আরিফ খান বলেন, "কিছু ব্যক্তি আছে যারা সমাজকে সমৃদ্ধ করেন। আবু খালেদ পাঠান তেমনই একজন ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জে বসে তার সাহিত্য সাধনা করে গেছেন।" তিনি সংবিধানের তিনটি অনুচ্ছেদের বর্ণনা করে এর মধ্য দিয়ে সাহিত্য ও এর মানুষদের অধিকারের কথা তুলে ধরেন।

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রথম আয়োজনে পুরস্কার প্রদান করা হয় কবি সংগীত শিল্পী কফিল আহমেদ ও কবি প্রাবন্ধিক আফরোজা সোমাকে।

গত বছর দ্বিতীয় আয়োজনে এ পুরস্কার অর্জন করেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ কামরুল হাসান ও গল্পকার প্রাবন্ধিক নাট্যকার গোলাম শফিক।