নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান নিয়ে ‘হিজ স্টোরি’
তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় (১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট) কি সত্যিই এক সাজানো গল্প ছিল? ওই দুর্ঘটনায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্যের খোঁজে এবার নির্মিত হয়েছে ডকু-ফিচার ‘হিজ স্টোরি’। ডা. শিবাজী গুপ্তসম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে দীর্ঘ আট বছরের গবেষণার পর এটি পরিচালনা করেছেন। সিনেমাটির উপস্থাপনা ও প্রযোজনায় রয়েছেন তার বাবা সত্যজিৎ গুপ্ত।
এই সিনেমায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আজাদ হিন্দ ফৌজের ২৫,০০০ শহীদের রক্তক্ষয়ী অবদানকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একই সাথে মুখার্জি কমিশনের সেই সিদ্ধান্তকে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে বলা হয়— ১৯৪৫ সালে নেতাজির মৃত্যুর কোনো প্রমাণ নেই। রেনকোজি মন্দিরের ভস্মও তার নয়।
সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ‘গুমনামী বাবা’-র দীর্ঘ ২৮ বছরের সহচর রাজকুমার শুক্লর জবানবন্দি। ফৈজাবাদ ও নৈমিষারণ্যের দিনগুলোতে এই রহস্যময় সন্তের চরম গোপনীয়তা ও ত্যাগের কাহিনি প্রথমবার পর্দায় এলো।
প্রখ্যাত অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীর গম্ভীর কণ্ঠের ধারাভাষ্যে সিনেমার রহস্যের গভীরতা আরও বেড়েছে। অভিনয়ে আছেন পাপিয়া অধিকারী, সুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো গুণী শিল্পী।
১৯৪৩ সালের ৪ জুলাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন। সেই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে গত ৪ জুলাই কলকাতার ‘নন্দন-১’ প্রেক্ষাগৃহে এই সিনেমার একটি বিশেষ প্রদর্শনীও হয়েছে।