বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
Main News Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। এর আগে তাঁর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। যৌথ সভায় দলের যুগ্ম মহাসচিববৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


৫ দিনের কর্মসূচি*

শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ: আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আলোচনা সভা: আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দলটির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

মৎস্য অবমুক্তকরণ: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপযুক্ত দিনে অনুষ্ঠিত হবে মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি, যার নেতৃত্বে থাকবেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

বৃক্ষরোপণ অভিযান: পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দলের যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।


সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে আরও কিছু কর্মসূচির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে আলোচনা করে খুব শিগগিরই সেসব চূড়ান্ত কর্মসূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য জাতিকে উজ্জীবিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক ও শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন।


তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পর দেশের এক কঠিন ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জিয়াউর রহমান হৃত গণতন্ত্র, মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার প্রত্যয় নিয়ে তিনি বিএনপি গঠন করেছিলেন এবং দেশকে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিতে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।